ইসরায়েলকে আমেরিকা এত সমর্থন করে কেন?

প্রথমে ভেবেছিলাম কিছুই লিখবো না। কারন বাস্তবিক অর্থে আমাদের মতো বাংলাদেশির লেখা ব্লগ আক্ষরিক অর্থেই এ ইস্যুতে কোন প্রভাব ফেলবেনা! আমাদের ক্ষমতার পরিসীমা অত্যন্ত নগণ্য। এরপর মনে হল, মানবতার খাতিরে তারপরও কিছু কথা বলা উচিৎ!

ইসরায়েলে সমর্থনকারী বিশ্ব পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র কেন ইসরায়েলেকে সহযোগিতা করছে, সেই সম্পর্কে আজ আপনাদের কিছুটা ধারণা দেবার চেস্টা করবো।

ইসরায়েলকে আমেরিকার প্রবল সমর্থন করার পিছনে রয়েছে ধর্মীয়, রাজনৈতিক, ভুয়া সংবাদের প্রসারের মতো উল্লেখযোগ্য বেশ কিছু কারন। প্রথমেই শুরু করতে হবে আইপ্যাক দিয়ে কেননা এই সংস্থাটি আমেরিকার রাজনৈতিক পদক্ষেপগুলিতে মারাত্মক আকারের প্রভাব ফেলে।

আইপ্যাক

আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটির সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে আইপ্যাক। অবশ্যই, ধরে ফেলেছেন এটির কাজ কী! হ্যাঁ, নাম থেকেই আন্দাজ করে নেয়া যাচ্ছে এটি কতটা প্রভাব ফেলে ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন ইস্যুতে। আইপ্যাকের সদস্য সংখ্যা ১০০,০০০ এরও বেশি। তার সাথে আছে বিশাল রকমের ডোনারদের আনাগোনা। এটিই একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, যারা ইসরায়েল আমেরিকা সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে চলছে।

তাদেরকে আমেরিকাতে সবচেয়ে শক্তিশালী লবিং গ্রুপ হিসেবেও বিবেচনা করা হয়ে থাকে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, এই সংস্থাটিকে লিকুদ পার্টির সহযোগী হয়ে কাজ করার জন্যও দোষারোপ করা হয়েছে। লিকুদ পার্টি সম্পর্কে হয়তো আগে থেকেই জানেন। এই পার্টির চেয়ারম্যান হচ্ছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ধারণা করা হয়ে থাকে, আইপ্যাক অর্থায়ন করে আমেরিকার রাজনৈতিক প্রচারণাগুলিতে, যাতে করে তাদের সমর্থিত নেতারা নির্বাচিত হয়ে ইসরায়েল সমর্থনে কাজ করে।

Attribution: “Vice President Pence at the AIPAC Policy Conference” by The White House is marked with CC PDM 1.0

ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতিনিধি ইলহান উমর এই আইপ্যাকের সমালোচনা করেছিলেন। দেখিয়েছিলেন সাহসিকতা। তবে তাকে দিতে হয়েছিলো সাহসিকতার মূল্যও। তার এই সমালোচনাকে এন্টিসেমিটিক বলে চালিয়ে দেয় ইসরায়েলপন্থীরা। তাকে মুখোমুখি হতে হয়েছিলো তীব্র সমালোচনার। যদিও পরবর্তীতে ক্ষমা চেয়েছিলেন এই বার্তার জন্য।

আমেরিকান প্রফেসর রিচার্ড অ্যান্ডারসন ফলক আইপ্যাক নিয়ে সমালোচনা করেন যেখানে তিনি আইপ্যাক প্রভাব নিয়ে তেহরান টাইমস এ বিস্তারিত বলেন।

কট্টরপন্থী খ্রিস্টান

চিত্রঃ হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত দ্যা এভাঞ্জেলিক্যাল লিডারশিপ ডিনার, Attribution: “The Evangelical Leadership Dinner” by The White House is marked with CC PDM 1.0

আরব-ইহুদি জাতিগত বিদ্বেষে কিভাবে তৃতীয় কোন ধর্ম প্রভাব ফেলতে পারে, সেই প্রশ্নটি আসা অস্বাভাবিক নয়। তবে এটিই বাস্তবতা, যেখানে ধর্ম একটি অন্যতম প্রভাবক হিসেবে কাজ করে ইসরায়েল আমেরিকার সম্পর্কে। আচ্ছা, যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় দিক নিয়ে একটু ধারণা দিয়ে নেই।

মার্কিনীরা পশ্চিমা বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলি থেকে একটু ভিন্ন কারন এখানকার অধিকাংশ মানুষেরাই ধর্মে বিশ্বাসী। শুধু বিশ্বাসী বললেও ভুল হবে। ধর্ম তাদের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলে। পিউ রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের ২৫.৪ ভাগ ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টান, মেইনলাইন প্রোটেস্ট্যান্ট ১৪.৭ ভাগ, ক্যাথলিক ২০.৮ ভাগ,  ব্ল্যাক প্রোটেস্ট্যান্ট ৬.৫ ভাগ, মরমন ১.৬ ভাগ, ইহুদি ১.৯ ভাগ এবং মুসলিম ০.০৯ ভাগ। তবে এর মধ্যে ধর্মীয় দিক থেকে ইসরায়েল-আমেরিকা সম্পর্কে ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টানরাই সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করে। তাহলে, মোট জনসংখ্যার চার ভাগের এক ভাগ কি করে এত প্রভাব ফেলে? উত্তর হচ্ছে তারা মারাত্মক কট্টরপন্থী। 

ইসরায়েলের প্রতি সাপোর্ট করার কারন হচ্ছে বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণী। তাদের বিশ্বাস, ইহুদিরা এক সময়ে জেরুজালেম শহরে ফিরে যাবে। আর তখনই যিশুখ্রিস্টের পুনরুত্থান ঘটবে পৃথিবীতে। তারপরে শুরু হবে শয়তানের সাথে যিশুখ্রিস্টের যুদ্ধ।  যুদ্ধটিকে শেষ বিচারের যুদ্ধও বলা হয়। এই যুদ্ধে যিশুখ্রিস্টের কাছে  শয়তান পরাজিত হবে। এরপরেই ইহুদিরা ধর্মান্তরিত হবে।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে, ইভানজেলিক্যালরা বিশ্বাস করে ঈশ্বর তাদেরকেই পুরস্কার দিবে, যারা ইহুদিদের সাহায্য করবে। যদিও খ্রিস্টান ধর্মের অন্যান্য সম্প্রয়দায়ের লোকেরা এটি বিশ্বাস করে না। ইভানজেলিক্যালরা ওল্ড টেস্টামেন্টের চ্যাপ্টার বুক অফ ইস্টার কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। চ্যাপ্টারটিতে বলা হয়েছে যে, ঈশ্বর বিভিন্ন ধরনের ঘটনার মাধ্যমে ঐশ্বরিক ক্ষমতা দিয়ে ইহুদিদের রক্ষা করেছিলেন।
এইতো, ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ব্যাপটিস্ট যাজক রবার্ট জেফ্রেস সি.এন.এন কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন,

“ইতিহাসে জেরুজালেম ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের জন্য একটি আবেগের বিষয় এবং ভবিষ্যদ্বাণীর কষ্টিপাথর হিসেবে চলে আসছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, ঈশ্বর ইহুদিদের জেরুজালেম দিয়েছিলো এবং বাকি পবিত্র ভূমিও।”

একজন খ্রিস্টান যাজকের এমন উক্তি ইঙ্গিত দেয় যে কতটা জায়নিজম পন্থী আমেরিকার ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকেরা। তাদের খ্রিস্টান জায়নিস্টও বলা হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে তাদের কট্টরপন্থী চিন্তাধারা মারাত্মক আকারে প্রভাবিত করে। আর রাজনীতিবিদরা তাদের সিদ্ধান্তগুলি নির্ভর করে জনগনের চাহিদার উপর। সিদ্ধান্তে গুরুত্ব পায় না মানবিকতা। কারন তারা ২৫ ভাগ ভোট হারাতে চায় না। তবে অদ্ভুত ব্যাপারটি হচ্ছে, ইসরায়েলর এই অত্যাচারে অত্যাচারিত প্যালেস্টাইনের খ্রিস্টানরাও। তারপরেও ইভানজেলিক্যালরা তাদের সাপোর্ট দিয়ে আসছে ইসরায়েলের পক্ষে। তবে, যুক্তরাষ্ট্রেও অনেক ইহুদি আছেন যারা জায়নিজম ধারনার বিরুদ্ধে। বিষয়টির আরও বিস্তারিত জানতে ভক্স এবং ভাইস নিউজের তথ্যবহুল রিপোর্ট দেখতে পারেন।

হলুদ সাংবাদিকতার চর্চা

আমি আমার আগের ব্লগটিতে হলুদ সাংবাদিকতা নিয়ে লিখেছিলাম। তবে সেখানে বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট ছিলো।  অনেকেই মনে করেন হলুদ সাংবাদিকতার শিকার হচ্ছেন প্যালেস্টাইনের নিরীহ মানুষেরা। কারন ধারণা করা হয় যে, মার্কিনী মিডিয়া মুঘলরা সাধারণ মার্কিনীদের সামনে এক ভয়ংকর পক্ষপাতমূলক চিত্র তুলে ধরছে। তবে এর পিছনে মিডিয়াতে কর্মরত ইহুদিদের প্রভাব রয়েছে বলে মনে করেছিলেন সাবেক মিশরীয় প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মুরসি। সাবেক মিশরীয় প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মুরসি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিনি আমেরিকান ইহুদি পরিচালিত গণমাধ্যমের শিকার।

ইহুদি বংশোদ্ভূত ওচস সলজবার্গার পরিবার পৃথিবীর অন্যতম সেরা পত্রিকা দ্যা নিউ ইয়র্ক টাইমস নিয়ন্ত্রণ করেন। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, নিউইয়র্ক টাইমস্ এবং ওয়াশিংটন পোষ্ট ইসরায়েলের কিছু নীতি নিয়ে সমালোচনা করেছিলো। অপরদিকে জার্নাল প্যারেন্ট নিউজ কর্পসের নির্বাহী পরিচালক মার্কিন মিডিয়া মুঘল রুপার্ট মার্ডক একজন খ্রিস্টান এবং ইসরায়েলের সমর্থক যিনি ইসরায়েলের সাপোর্ট দিয়ে টুইট করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইহুদি মালিকানাধীন সংবাদপত্রগুলি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কথা বলে। রুপার্ট মার্ডক বার্তায় বলেন:

Middle East ready to boil over any day. Israel position precarious. Meanwhile watch CNN and AP bias to point of embarrassment.

সংবাদ মাধ্যম ফক্স নিউজকে ইসরায়েলের তীব্র সমর্থক হিসেবেই বিবেচনা করা হয়ে থাকে। ফক্স নিউজের অন্যতম প্রধান সংবাদ পাঠক শন হ্যানিটি প্যালেস্টাইন অথিতি ইউসুফ মুনায়্যেরকে তার শোতে ডেকে এনে ধমকের সাথে কথা বলা বন্ধ করার ঘটনাও দেখেছিলো দর্শকরা। কারন ইউসুফ মুনায়্যের হামাসকে জঙ্গি সংগঠন বলতে নারাজ ছিলো। আর এতেই শন হ্যানিটি ক্ষেপে গিয়ে সাক্ষাৎকার সম্পূর্ণ না করেই বন্ধ করে দেয়। এক অসম্মানজনক এবং বিব্রতকর পরিবেশের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছিলো ইউসুফ মুনায়্যেরকে। তবে এটি থেকে একটি জিনিস পরিষ্কার হলুদ সাংবাদিকরা যেকোনো কিছুই করতে পারেন তাদের ধারণা টিকিয়ে রাখবার জন্যে।

অনেকেই তো ভয়ে থাকেন ইসরায়েল নিয়ে কিছু বলার ক্ষেত্রে। কারন তখন এন্টি-সেমাইট ট্যাগ দিয়ে দেওয়া হয়। আর তারপরে মিডিয়া জগতে সেই ব্যক্তির ক্যারিয়ারের পতন! তবে এক্ষেত্রেও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন দ্যা ডেইলি শো’র সাবেক হোস্ট জন স্টুয়ার্ট। তিনি নিজে স্বয়ং ইহুদি হয়েও ইসরায়েল অত্যাচারের বিরুদ্ধে কথা বলতে পিছপা হন নি।

৯/১১ এর পর থেকেই মুসলিম বিদ্বেষ তুঙ্গে উঠেছে মার্কিনদের মাঝে। এমনকি ইসলামোফোবিয়ার মতো ডিসঅর্ডার দেখা দিয়েছে তাদের মাঝে। তবে এর দায়ভার অনেকাংশে মার্কিন মিডিয়ার। তারা মুসলমানদের স্বাভাবিক জীবনকে ঢেকে দিয়ে গুটিকয়েক জঙ্গিদের সামনে তুলে এনেছিলো। এতে করে মার্কিন জনগণদের মাঝে এক ভীতির সৃষ্টি হয়। এভাবেই এমন এক ধরনে মানসিকতার তৈরি হয় যেখানে  ইসরায়েলের করা অত্যাচারে মার্কিনীরা ফিলিস্তিনিদের উপর ভিক্টিম ব্ল্যামিং করে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ

এতক্ষণ ধর্মীয় এবং ইসরায়েলের লবিং নিয়ে আলোচনার পর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট নিয়ে বলা দরকার। আমেরিকা কি শুধু স্বার্থহীন ভাবেই ইসরায়েলের প্রতি এত ভালোবাসা দেখিয়ে যাচ্ছে? আসলে সুসম্পর্কের তৈরি হয় দুপক্ষের কাছ থেকে আসা স্বার্থ থেকেই। ইসরায়েলের সাথে সুসম্পর্ক রেখে মার্কিন প্রশাসনেরও উপকার হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ঘাটি হিসেবে ইসরায়েলের ভূমিকা অপরিসীম। ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সুনাম আছে বিশ্বব্যাপী। ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা দিয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটির আকৃতি এনে দেয়ার পিছনেও ইসরায়েলের ভূমিকা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল মিলে তৈরি করেছিলো পরিশীলিত এবং উন্নত মিলিটারি প্রযুক্তির যার মধ্যে ডেভিড স্লিং কাউন্টার রকেট এবং অ্যারো মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম উল্লেখযোগ্য। ইসরায়েলের মিলিটারি রিসার্চ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন উন্নত প্রযুক্তি তৈরিতেও ভূমিকা রেখেছে।
ভূ- রাজনীতি ছাড়াও ইসরায়েলর সহযোগিতা পেয়ে আসছে মার্কিনী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি যেখানে উন্নত প্রযুক্তির উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা করে আসছে ইসরায়েলের টেক এক্সপার্টরা। কৃষি উন্নয়নেও ইসরায়েল এগিয়ে আছে যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সুযোগ আছে তাদের উন্নত প্রযুক্তি কাজে লাগানোর।

তবে সবশেষে ওই অর্থই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আপনি একটি পরিবারের দিকেই খেয়াল করে দেখুন। যিনি রোজগার করে, তিনিই বেশিরভাগ মুখ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন। আর এই ক্ষেত্রেও সেই বিষয়টি বোধহয় ঘটেছে। কারন আমেরিকার অর্থনীতিতে ইহুদিদের ভূমিকা ব্যাপক। আর একারনেই মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ কিংবা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে তাদের মতকেই প্রাধান্য দেয়া হয়।

হ্যাঁ, যে ডিবাইসের সাহায্যে লিখছি, সেটিও কোন ইহুদির তৈরি করা হয়তো। কারন আমাদের বাস্তবতায়, সমাজের অগ্রগতি কিংবা বর্তমানের এই অবস্থার পিছনে সকলেরই ভূমিকা আছে। তাই মন্তব্য করার ক্ষেত্রে কি ব্যাবহার করবো অথবা কোন প্ল্যাটফর্ম এর সাহায্যে করবো তা সমালোচনার বিষয়বস্তু হতে পারে না।
একটি জাতিকে ধ্বংস করে নিজের উন্নতি করার আসা করাটা বকামি ছাড়া আর কিছুই না। আর প্রতিবেশী হলে তো কথাই নেই। ধর্মীয় গোঁড়ামি দেখিয়ে কি মানুষ হত্যার কোন মানে আছে? আর পশ্চিমা বিশ্বের মানবতার কাজ কি তাহলে শুধুই নাটক? প্রশ্নগুলি সব সময়েই থাকবে যতদিন এই সমস্যার সমাধান না হবে।
আপনি ভিন্ন ধর্মের কিংবা নাস্তিক হতে পারেন, কিন্তু ফিলিস্তিনে অন্যায় হচ্ছে, এটা তো সত্যি। অন্যায় মানে অন্যায়, সে যার উপরই হোক না কেন!

তথ্যসূত্রঃ

Featured image credit: rwayne307, https://cdn.pixabay.com/photo/2013/10/17/12/42/al-aqsa-mosque-196846_960_720.jpg

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের সাম্প্রতিক সংঘাত নিয়ে আরও 

ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের উপর ইসরায়েলের “স্কাঙ্ক ওয়াটার” রাসয়নিক অস্ত্রের ব্যবহার

অন্যান্য লেখা