সাদ্দাম হুসেইন: বাথ পার্টিতে বেড়ে উঠা এক বিপ্লবী স্বৈরশাসক

৯/১১ অ্যাটাকের কথা ঠিক মনে নেই। তবে এখনও মনে আছে ছোটবেলায় খড়কুটো দিয়ে তৈরি করা বুশের পুত্তলিকা আর সেই পুত্তলিকাতে আমার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। পুত্তলিকা গাছের সাথে বেঁধে ইট মারার ঘটনা আমাদের শৈশবের স্মৃতিতে এখনও উজ্জ্বল হয়ে আছে। জানতাম না কিছুই। শুধু জানতাম মুসলিম দেশ দখল করে নির্যাতন করছে বুশ। আর তার সাথে লড়াই করছে মুসলিমদের নেতা সাদ্দাম হুসেইন। প্রথম অংশটি আজও সত্যি।

সাদ্দাম হুসেইনের বৈচিত্র্যময় জীবন, রাজনীতি, স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব তাকে ইতিহাসের পাতায় করে রেখেছে অবিস্মরণীয় একজন নেতা হিসেবে। কেউর কাছে তিনি ছিলেন যোগ্য নেতা আবার কেউর কাছে ত্রাস। আজকে খুব সামান্য পরিসরে আলোচনা করা যাক , ইতিহাসের অন্যতম বিতর্কিত নেতা সাদ্দাম হুসেইনের উত্থান পতনের সংগ্রামী জীবন নিয়ে।

সাদ্দাম হুসেইনের শৈশব কৈশোর

মানব ইতিহাসের ঐতিহ্য মেসোপটেমিয়া আর বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস নদীর পাশের শহর তিকরিতে ১৯৩৭ সালে ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহন করেন ইতিহাসের বিতর্কিত বিপ্লবী স্বৈরশাসক সাদ্দাম হুসেইন আবদুল মাজিদ আল তিকরিতি। সাদ্দাম হুসেইনের বিয়োগান্তক জীবনের সূচনাও হয়েছিলো হৃদয়বিদারক ঘটনা দিয়ে। জন্ম গ্রহণের কয়েক মাস আগেই নিখোঁজ হয়ে যায় তার রাখাল পিতা। আর জন্মগ্রহণ করার কিছুদিন পরেই সাদ্দাম হারিয়েছিলেন তার বড় ভাইকে। স্বামী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা এবং সন্তান হারানোর বেদনায় সাদ্দাম হুসেইনের মা মারাত্মকভাবে হতাশায় ভেঙ্গে পরে। শিশু সাদ্দামকে দেখাশুনা করার ইচ্ছাশক্তিও হারিয়ে ফেলেন তিনি। চাচার কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয় সাদ্দামকে।

দারিদ্রতায় বড় হওয়া সাদ্দামের জীবন কেটেছে হতাশা, অবহেলাতে। এখান থেকে ওখানে ছুটে বেড়াতে হয়েছিলো তাকে। আবার যখন মায়ের কাছে ফিরে আসেন সাদ্দাম তখন শুরু হয় সৎ পিতার নির্যাতন। পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় সাদ্দাম হুসেইন। এভাবেই টানাপোড়নে বড় হওয়া কিশোর সাদ্দামের পরিচয় হয় তালফাহ নামের একজন আরব জাতীয়তাবাদীর সাথে যিনি সাদ্দাম হুসেইনের রাজনৈতিক আদর্শে প্রভাব ফেলেছিলেন। তালফাহ ধার্মিক সুন্নি মুসলিম ছিলেন।

হয়তো এই কষ্টসহিষ্ণু শৈশব সাদ্দাম হুসেইনের আদর্শগত সিদ্ধান্তগুলিতে প্রভাব ফেলেছিলো। হয়তো শৈশবে দেখা নির্মম বাস্তবতা সাদ্দামের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে এনেছিলো অনমনীয়তা।

রাজনীতিতে পথচলা

আরব জাতীয়তাবাদে অনুপ্রাণিত কিশোর সাদ্দামের আদর্শে জন্মে ব্রিটিশ বিরোধী চেতনার বীজ। উচ্চ মাধ্যমিক সম্পূর্ণ করতে না পারা সাদ্দাম যোগদান করেন বাগদাদের বাথ পার্টিতে। বাথ পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো বাথিজম ধারণার উপর ভিত্তি করে। বাথিজম হচ্ছে আরব বিশ্বকে এক করার বিপ্লবী আন্দোলন। এই বাথ পার্টিই ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করছিলো ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আবদুল করিম কাসেম হত্যাকাণ্ডের। পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর সাদ্দম হুসেইন পলায়ন করতে বাধ্য হয়েছিলেন। তিনি গাধায় চড়ে পাড়ি জমান সিরিয়ার উদ্দেশ্যে এবং পরবর্তীতে মিশরের কায়রোতে থাকেন যেখানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে আইন বিষয়ে পড়াশুনা শুরু করেন।

চার বছর পর  ১৯৬৩ সালের দিকে কাসেম ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়। এর পরপরেই সাদ্দাম দেশে ফিরে আসেন।

তার চাচাতো ভাই আহমেদ হাসান আল বকরের সহযোগিতায় পার্টিতে একটা দৃঢ় অবস্থান পেয়ে যায় সাদ্দাম। কিন্তু এক বছরের কম সময়ের মধ্যেই ইরাকি সামরিক শাসন, বাথ পার্টিকে সরিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়েছিলো। সাদ্দাম হুসেইন সহ আরও  অন্য বাথ পার্টির নেতাদের জেলে নেয়া হয়েছিলো। জেলে থাকা অবস্থাতেই সাদ্দাম মনোনিবেশ করে, কেন তারা ক্ষমতায় থাকতে ব্যর্থ হয়েছিলো । সাদ্দামের মতে,  পার্টি নেতারা খুব বেশি ভরসা করে ফেলেছিলো সামরিক বাহিনীর উপর। তারপরেই সাদ্দাম হুসেইনের নিজের তৈরি সুরক্ষা বাহিনী বানানোর চিন্তা করেন যাতে করে সামরিক বাহিনীর উপর নির্ভরশীলতা কমে যায়।

কারাগারে থাকার দুই বছরের মাথায় সাদ্দাম হুসেইন পলায়ন করতে সক্ষম হয়েছিলো। পরবর্তীতে পরিকল্পনা অনুযায়ী বাথ পার্টির জন্য তৈরি করেন সুরক্ষা বাহিনী যা শত্রু দমন করতে সক্ষম হবে।

১৯৬৮ সালে বাথ পার্টি আবারও ক্ষমতা ফিরে পায়। এইবার বকর হয় প্রেসিডেন্ট আর তার চাচাতো ভাই সাদ্দাম হয় বিপ্লবী কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। তবে ১৯৭৯ এর দিকে সাদ্দাম  নিজেই বাথ পার্টির সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পরেন। ১৯৭৯ সালের জুলাইয়ের দিকে তার চাচাতো ভাইকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে সক্ষম হয় সাদ্দাম। এর পরপরেই সাদ্দাম হুসেইন হয়েছিলেন ইরাকের প্রেসিডেন্ট।

ভিডিওঃ সম্মেলনে সাদ্দাম হুসেইন,  Attribution: Biswajit Rath 

এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সাদ্দাম বাথ পার্টির সম্মেলন ডাকেন। এই সম্মেলনে ৬৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয় যাদের সবাইকে কারাগারে পাঠান হয় যার মধ্য থেকে ২২ জনের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিলো বিশ্বাসঘাতকতা দায়ে।

বলা হয়ে থাকে, এই ক্ষমতা দখল করতে গিয়ে সাদ্দাম দায়ী ছিলেন শতাধিক মৃত্যুর। এর মধ্যে ছিলেন মিলিটারি অফিসার, বাথ পার্টির অফিসিয়ালরা, এবং এমনকি সাদ্দামের কাছের বন্ধু এবং সহযোগীরা।

সি. আই. এ’র সহযোগিতায় সাদ্দাম হুসেইন

বর্তমানের বন্ধু ভবিষ্যতের শত্রু! হাঁ, এক সময়ে সাদ্দাম হুসেইনের বাথ পার্টিকে ক্ষমতা পাইয়ে দিতে সহযোগীর ভূমিকা পালন করেছিলো সি. আই. এ। সাবেক ইউ এস ইন্টেলিজেন্স, অফিসিয়াল এবং কূটনেতিকদের মতে, ১৯৫৯ সালে কাশিম হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাতে সি. আই. এ’র অনুমোদন দেয়া ৬ জনের স্কোয়াডে সাদ্দাম হুসেইনও ছিলেন। ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনাল এর নেয়া সাক্ষাৎকারে বেরিয়ে আসে এই তথ্য। যদিও এই ব্যাপারে সি. আই. এ মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।

সাবেক এক সিনিয়র স্টেট ডিপার্টমেন্ট অফিসিয়াল এর মতে, ১৯৫৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কাশিমকে ক্ষমতা থেকে সরাতে সি. আই. এ’র তৈরি করা নীল নকশায় ব্যাবহার করানো হয় ২০ বছর বয়সী সাদ্দামকে। প্রধানমন্ত্রী কাশিমের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিসের বিপরীতে রাখা হয়েছিলো সাদ্দামকে যাতে করে কাশিমের চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করেতে পারে। আমরা জানি যে সেই পরিকল্পনাটি সফল হয় নি। আরেকজন সি. আই. এ অফিসিয়াল বলেন, সেই দিন সাদ্দাম মাথা ঠাণ্ডা রাখতে পারেন নি। তাড়াতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন । পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। গুলি লাগে কাশিমের গাড়িচালকের গায়ে। গাড়িচালক মারা গেলেও বেঁচে যায় প্রধানমন্ত্রী কাশিম।

সাদ্দাম হুসেইনের ভূ-রাজনীতি

সাদ্দাম হুসেইন ক্ষমতা পুরোপুরি নিজের হাতে নিয়ে নিয়েছেন। আর এইদিকে একই বছর ইরানে আয়াতুল্লাহ খোমেনী বিপ্লবের ডাক দিয়ে পতন ঘটান শত বছরের পাহলভী রাজতন্ত্র শাসনের। ইরানের বিপ্লব মধ্যপ্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের ভূ-রাজনীতিতে আনে পরিবর্তন। বাদ যায় নি সাদ্দামের ইরাকও। শিয়াদের ইসলামিক বিপ্লবে নড়েচড়ে বসে সাদ্দাম। সাদ্দামের রাজনীতি ছিলো সুন্নি নির্ভর। অপরদিকে ইরাক শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি দেশ। আর এখানেই বুঝা যায় সাদ্দাম হুসেইন কতটা আক্রমণাত্মক রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। সাদ্দাম করে বসে ইরান আক্রমণ। ইরানের তেল সমৃদ্ধ অঞ্চল খুজেস্তান দখলে যায় ইরাকি বাহিনী। আর পুরো দুই দেশেই শুরু হয় যুদ্ধ।

এদিকে ইরানের ইসলামিক শিয়া বিপ্লবের সাফল্যে ভীত আরব রাজতন্ত্রগুলি। মার্কিন, ব্রিটিশরাও ইরানের আয়াতুল্লাহ খোমেনীকে নিয়ে শঙ্কিত ছিলো। বেশির ভাগ আরব দেশ আর মার্কিনীরা সহযোগিতার হাত বাড়ায় সাদ্দামের প্রতি। আট বছর যাবৎ চলা যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে দুই দেশ।

Attribution:“Highway of Death ‘Kuwait Basra’ 26 February 1991” by samdaq (AT) hotmail is licensed under CC BY-ND 2.0

যুদ্ধবিরতি হওয়ার পরে ভঙ্গুর হয়ে পরে ইরাকের অর্থনীতি। আর তখন সাদ্দামের নজর পরে ধনী প্রতিবেশী কুয়েতের উপর। ১৯৯০ এর অগাস্টের ২ তারিখে সাদ্দাম কুয়েত হামলার আদেশ দেন। ইউএন এর রেজোলিউশন ভঙ্গ, তারপরে যুক্তরাষ্ট্র আর তার মিত্র বাহিনীর ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ ইরাকের রাজনীতিতে সাদ্দাম হুসেইনকে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ফেলে দেয় । এক দশকের ভিতর পর পর দুটি যুদ্ধ ভঙ্গুর করে দেয় ইরাকের অর্থনীতি। আর এই অর্থনৈতিক মন্দা থেকে দুই ভাগে ভাগ হয় ইরাকি জনগণ। বিদ্রোহ শুরু হতে থাকে। তবে সাদ্দাম বাহিনী কঠোর দমনেরও চেষ্টা করে আসছিলো।

মার্কিনী আগ্রাসন আর সাদ্দামের পতন

অনেক বিশ্লেষকদের মতে, সাদ্দাম প্রশাসনে মার্কিনীদের আক্রমণের কারন আল কায়েদার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বোমা হামলায় সহযোগিতার কিংবা ব্যাপক ধ্বংসাত্মক জীবাণু অস্ত্র তৈরির সন্দেহে নয়, বরং দায়ী করা হয়, সাদ্দামের ইউরোতে তেল বিক্রয় করার পদক্ষেপকে।
মার্কিনীদের অর্থনীতি মন্দা চলছিলো। আর তখনই সাদ্দাম ইউরোতে তেল বিক্রয় করার দাবী জানায় আর এতে বিপাকে পরে যেতো মার্কিনী ডলার। ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জানুয়ারি ষ্টেট ইউনিয়ন অ্যাড্রেসে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ. বুশ দাবী করেন ইরাক ব্যাপক ধ্বংসাত্মক জীবাণু অস্ত্র প্রস্তুত করছে। এমনকি এই অ্যাড্রেসে, বুশ ইরাককে শয়তানের অক্ষ বলে নাম দেয়। যাইহোক ৯/১১, বুশ প্রশাসনকে সুযোগ করে দেয় ইরাক হামলার।

Attribution: “Public Domain: Marines Fire M 198 Howitzer at Umm Qasr, Iraq by MATTHEW J. DECKER USMC, 2003 (DOD 030324-M-9933D-002)” by pingnews.com is marked with CC PDM 1.0

২০০৩ সালের মার্চের ২০ তারিখে বুশ প্রশাসন , ইরাক আক্রমণ করে। জঙ্গি সন্ত্রাসী দমন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে চলে সাদ্দাম ধরার প্রস্তুতি। ২০০৩ সালের ডিসেম্বরের ১৩ তারিখে, মার্কিন-ব্রিটিশদের অনুসন্ধান প্রচেষ্টায় ধরা পরে সাদ্দাম হুসেইন। ধরা পরার আগ পর্যন্ত সাদ্দাম ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে লুকিয়ে ছিলেন।

২০০৩ সালের মার্চের ২০ তারিখে বুশ প্রশাসন ইরাক আক্রমণ করে। জঙ্গি সন্ত্রাসী দমন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে চলে সাদ্দাম ধরার প্রস্তুতি। ২০০৩ সালের ডিসেম্বরের ১৩ তারিখে, মার্কিন-ব্রিটিশদের অনুসন্ধান প্রচেষ্টায় ধরা পরে সাদ্দাম হুসেইন। ধরা পরার আগ পর্যন্ত সাদ্দাম তিকরিত শহরের পাশে আদ-দাওয়ারের এক খামারবাড়ির ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে লুকিয়ে ছিলেন। তারপর মার্কিনী সৈন্যরা তাকে নিয়ে যায় বাগদাদের মার্কিনী বেজে। ২০০৪ সালের জুনের ৩০ তারিখ পর্যন্ত সেখানে তাকে রাখা হয়। তারপর তাকে হস্তান্তর করা হয় অন্তর্বর্তীকালীন ইরাকি সরকারের কাছে। ২০০৬ সালের ৫ নভেম্বরে সাজানো আন্তর্জাতিক আদালতে, সাদ্দাম হুসেইনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
২০০৬ সালের ডিসেম্বরের ৩০ তারিখে বাগদাদে ইতিহাসের অন্যতম বিতর্কিত নেতার ফাঁসি দেয়া হয়।

সাদ্দামের প্রতি ইরাকিদের ছিলো মিশ্র প্রতিক্রিয়া। স্বাধীনচেতা গনতন্ত্রে বিশ্বাসী জনগণের কাছে সাদ্দাম ছিলেন ত্রাস। যারা স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী ছিলেন তাদের কাছে তিনি ছিলেন ইরাকের হারিয়ে যাওয়া অনমনীয় নায়ক। তবে আজকের এই বর্তমান বলে দেয়, গনতন্ত্রের আসায় ভিনদেশী অচেনা জাতির সাহায্যের চাইতে স্থিতিশীল কঠোর স্বৈরশাসকের নিয়ন্ত্রিত শাসন শ্রেয়। ইরাকের ঐতিহ্য ধ্বংস করে দিয়েছে মার্কিনীরা আর তার মিত্রবাহিনীরা। সাদ্দাম ইরাকের জনগণদের সাবধান করে গিয়েছিলেন ঠিকই। বইয়ের পাতায়, কিংবা রাজনৈতিক আলোচনায় সাদ্দাম হুসেইন হয়তো চলে আসবেন। হয়তো কেউ তাকে দেখবে মার্কিনীদের ফাঁদে পরা অসহায় নেতা হিসেবে । আবার কারোও কাছে তিনি হয়তো ক্ষমতার অপব্যাবহারে  এক অহংকারী স্বৈরশাসক।

 

 

তথ্য সূত্রঃ

Featured image credit: “Public Domain: Former Iraqi President Saddam Hussein in Court by D. Myles Cullen USAF, July 2004 (DOD 040701-F-0193C-058)” by pingnews.com is marked with CC PDM 1.0

Leave a Reply