গাড়ির নাম্বার প্লেট কি বলে?

গাড়ির নাম্বার প্লেট

গাড়ির নাম্বার প্লেটের দিকে তাকিয়েই যদি বলে দিতে পারেন গাড়িটি কত সি. সি’র বা কোন এলাকার আওতাধীন, কিংবা নাম্বারপ্লেটটি ঠিক আছে কিনা! জানা থাকলে মন্দ কি! জী, BRTA অনুমোদিত সকল গাড়িতেই নাম্বারপ্লেট থাকে। নামাবারপ্লেট থেকে আপনি গাড়িটি সম্পর্কে কিছু তথ্য অনায়াসে টুকে নিতে পারেন। আচ্ছা, ফরমেটটি আগে দেখে নেয়া যাক। বাংলাদেশের গাড়ির নাম্বার প্লেট ফরমেটঃ ‘শহরের নাম-গাড়ির ক্যাটাগরি ক্রম এবং গাড়ির নাম্বার’। যেমন, ঢাকা মেট্রো -গ ৩৩ – ০৯১১। এখানে, ‘ঢাকা মেট্রো’ দ্বারা বোঝানো হয়েছে গাড়িটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাধীন। ‘গ ‘ দিয়ে বুঝানো হচ্ছে গাড়িটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন গাড়ি যার সিসি ১৫০০-১৮০০। পরবর্তী ‘৩৩’ হচ্ছে গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার আর তার পরের ‘০৯১১’ হচ্ছে গাড়িটির সিরিয়াল নাম্বার।
BRTA নিন্মক্ত বর্ণগুলো অনুমোদন করে যার প্রতিটির আছে আলাদা আলাদা অর্থঃ
‘অ, ই, উ, এ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ত, থ, ঢ, ড, ট, ঠ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, শ, স, হ.

১৯টি ক্যাটাগরির মধ্যে একটি ক্যাটাগরি হচ্ছে- প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গাড়ি, আর বাকিগুলো সাধারণ জনগণের গাড়ির ক্ষেত্রে।

  • ক –  প্রাইভেটকার (৮০০ সিসি)
  • খ – প্রাইভেটকার (১০০০-১৩০০ সিসি )
  • গ –  সিসি প্রাইভেটকার (১৫০০-১৮০০)
  • ঘ – জীপগাড়ি
  • চ – মাইক্রোবাস
  • ছ –  ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস / লেগুনা
  • জ – মিনি বাস
  • ঝ –প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গাড়ি
  • ট – বড় ট্রাক
  • ঠ – ডাবল কেবিন পিকআপ
  • ড – মাঝারী ট্রাক
  • ন – ছোট পিকআপ
  • প – ট্যাক্যি ক্যাব
  • ভ –  প্রাইভেটকার (২০০০+ সিসি )
  • ম – ডেলিভারী পিকআপ
  • দ – সি এন জি (প্রাইভেট)
  • থ – সি এন জি (ভাড়ায় চালিত)
  • হ –  মোটরবাইক (৮০-১২৫ সিসি)
  • ল – মোটরবাইক (১৩৫-২০০ সিসি )
  • ই – ভটভটি

Name: Number Plate/ Vehicle Registration Plate/ License Plate